নির্বিঘ্ন নিরাপদে সমুদ্র তটেই হেঁটে গেলে কেবল
সাগর হৃদয় আমার করে উথালি-পাথালি
যদি উষ্ণতার স্পর্শে ভেজাতাম তোমার হৃদয়
বন্ধ হতো প্রতিদিনকার এই তিলে তিলে ক্ষয়।
উত্তপ্ত বালিরা উত্যক্ত করে চলার পথে তোমার
তবু অহংকারের অলংকারে এতটাই সাজলে হায়
যে হৃদ সাগরে ভেজাবে পা, তেমনটি ভাবোনি কখনও তুমি
বিগলিত বিপুল জলরাশি নিয়ে তবু ছুঁতে চাই ওই মনোভূমি।
আচমকা আগাছারা গজিয়ে ওঠে অযত্ন লালিত জমিতে দিবানিশি
ফুলের প্রত্যাশায় জেগে থাকো বটে, কাঁটারা দেয় আঘাত ঘড়ি ধরে
তবু সাহস করে আসো না তো কখনও বিপুল এ জলরাশির ধারে
ভাঁটার ভয়ে থাকো দূরে দূরে , অথচ জোয়ার তুলি আমি বারে বারে।
কখনও কখনও কুঁকড়ে যাওয়া ভাঁটার মতোই অন্তর্গত হই নিজের মধ্যে
সাগর ঘুমন্ত ভেবে নির্ভয়ে হাঁটো তুমি , ভেজা বালিতে রেখে পা’য়ের ছাপ
বোঝো না আজও, বোঝনি কখনও কেন ফিরে ফিরে হৃদয় তীরে আসি
বাউন্ডুলে বেকার পাড়ার যুবকের মতো অকারণে কেন বাজাই বাঁশি।
ভালোবাসার ঢেউয়েরা সব মুখ থুবড়ে পড়ে, ভেজা বালির নির্মম বাঁধে
চঞ্চল চোখের অঞ্চলে তুমিও বাঁধো সম্পূর্ণ আমার এ মনটাকে
তারপর শৈশবের লুকোচুরি খেলার মতোই হারাও বুঝি খড়ের গাদায়
এ দিক ও দিক খুঁজে না পাওয়া, সম্পর্ক তখন কৃত্রিম কাঁচকলায় আদায়।
অবশেষে তুচ্ছ করে হায় , সত্যিই হারালে ঐ প্রহরী পাহাড়ের আড়ালেই
বুঝিনে আজও কেন পাহাড় থাকে, সমুদ্র থেকে কয়েক কদম পা বাড়ালেই ।
২৬শে জানুয়ারি ২০১৮, ম্যারিল্যান্ড
Copyright @ Anis Ahmed