উপচে পড়া ভালোবাসা ছিল যে একদা
উবে গেছে উৎকন্ঠার উপদ্রবে সে তো কবেই
নিভে যাওয়া মোমের বাতিতে এখনও শুধু
সুবাসবিহীন ধোঁয়ায় পাই কার্বনের গন্ধই কেবল ।
ঠিক যেন জন্মদিনের কেকের বুকে গ্রথিত রঙিন মোম
জ্বলে ওঠা মূহুর্তের জন্যই, নিভে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
আলো নেভানোর ব্যাকুল ব্যস্ততা দেখি এখন সর্বক্ষণ
না, না জন্মদিনের নির্মল আনন্দে নয়, মৃত্যুর মূঢ় কামনায়
গলা ছেড়ে গাইবার প্রহর প্রহরীর নির্দেশে ছেঁটে দেওয়া হয়
হীরক রাজার রাজ্যে, পরিত্যাজ্য সত্বা নিয়ে পড়ে থাকি প্রত্যহ
নিরীহ নির্বাক অস্তিত্বে দেখি অকষ্মাৎ খুন হয়ে যাওয়া গুন গুন গান আমার
স্বরলিপিতে , স্বর ও লিপি উভয়ই রক্তাক্ত পড়ে থাকে অন্ধকার অলিন্দে।
সেই যে এক আদিম কালের আদম সন্তানেরা সব পাথর ঘষে জ্বালাতো আগুন
সেও তো নিভে গেছে কোন কালে, এখন দেখি পাথুরে প্রাণের পরিত্যক্ত অস্তিত্ব ।
গুহা থেকে বেরিয়ে আসা পূর্ব পুরুষেরা আমার হেঁটেছিলেন একদা হিরন্ময় পথ ধরে
প্রশস্ত সে পথে ছিল আশ্বস্ত হবার মতো অসংখ্য সব আলোর ছটা
বিন্দু বিন্দু সেই আলোর কণায়, দেখেছি মননের নন্দন কানন আমার
সে সব এখন অতিক্রান্ত, ভ্রান্তির চাদর মুড়ি দিয়ে চাঁদের বুড়ির চরকা কাটা কেবল।
গুমরে ওঠা দুঃখরা সব গোপন গুহায় লুকিয়ে রাখে সুখের যত কথা
গুজ গুজ করি নিজেরই মনে, পাছে শুনে ফেলে ওরা আমার এত ব্যথা
১৭ই জুন ম্যারিল্যান্ড
Copyright@ Anis Ahmed