মনে আছে তো
সেই কার্নিশের ধারে এসে দাঁড়াতো একদা এক কিশোর।
বাহ্যত বাউন্ডুলে ভেবে কখনও অবজ্ঞায় চলে যেতে অন্তরালে
কখনও বা ঝুল বারান্দায় , মেলে ধরতে ঘন চুলের ঢেউ
সেই ঢেউয়েই আপন মনে উদোম গা’য়ে সাঁতার কেটেছে কিশোর
তবু পায়নি খুঁজে সেই তীর , যেখানে ভেড়াবে তার ছোট্ট নাও
পাছে দেখে ফেলে কেউ, সেই শঙ্কায় তুমিও এদিক-ও দিক যাও।
অতঃপর
বহু দিন পরে , আবারও হেঁটে যাই ভিন্ন এক জানালার পাশ দিয়ে
দেখি, তুমি এখন পূর্ণ যৌবনা এক নারী, মুক্তকচ্ছ ময়ুরি যেন
মাঝে মাঝে নীরবে নিস্তরঙ্গে চুপি চুপি পায়ে হাঁটো তুমিও জানি
নিজের অজান্তেই জলতরঙ্গ বাজাও, এ হৃদয়ের জল-ভরা পেয়ালায়
চোর-কাঁটা ভরা শাড়ির কুঁচি, তবু সিঁধ কাটো শব্দ-গাঁথা প্রাঙ্গনে আমার
যতই নিঃশব্দে করো আনা-গোনা , জানান দিয়ে যায় অস্তিত্ব তোমার ।
ইদানিং
প্রায়শই লুকোও তুমি , কী-বোর্ডে আমার মৃদু স্পর্শের অনুমানে
কেমন করে বলবো , না-বলা কথা, অবলা বলো, গাইবো কোন গানে!
২৯ শে মে ২০১৭, ম্যারিল্যান্ড
Copyright@ Anis Ahmed