নিম্গ্নতায় আচ্ছন্ন হওয়া তোমায় দেখি যতবার
ততবারই হৃদ্যিক উপকুলে ওঠে ঝড়
চোখের বিশাল পলক খানিক যদি তুলতে
দেখা দিতো সেই সমুদ্র, তটে যার থেকে যাই আমি ।
নাওখানি নড়বড়ে এতটাই যে নামি না গভীর জলেতে
কেবল ভাসমান ভালোবাসায় চেয়ে থাকি চিত্তের চোখে।
শীতের প্রহরে তুমি তো বুনে চলো উষ্ণ ঊলের আবরণ
হিমেল হাওয়ায় কল্পনার আল্পনা আঁকি আমিও বরাবর
ওই নিমগ্ন চোখের চিত্রপটে, সম্পুর্ণ হয় না ছবি কখনোই
ছোপ ছোপ রক্ত লেগে থাকে হৃদয়ের ক্ষরিত অবয়বে ।
দূরে দূরে থাকো এতটাই যে কাছের বললে পরিহাস ভাবো
প্রেমের উপঢৌকন উপেক্ষা করো প্রাত্যহিক উপদ্রব ভেবে
কাঁচের ওপারে দেখি আলো আঁধারের বিপ্রতীপ মিতালি
এপারে তুমি আলোর ঝর্ণা হয়ে নেমে আসো মনের উঠোনে
কাঁধ বেয়ে নেমে আসা কালো চুলে এত আলো দেখিনি আগে
রঙিন রেশমি চুড়ির সমাহারে বিগলিত এ পশমী হৃদয় আমার
দিস্তা কাগজ ভ’রে দীর্ঘ প্রেমপত্র লিখে চলি আমি বেলা-অবেলায়
নত চোখে তুমি কেবল পড়ে যাও মুঠোফোনে , কারও ক্ষুদে বারতা।
টের পাওনা কখনই তুমি অস্তিত্ব আমার, মন থাকে মুঠোফোনে নিবিষ্ট
কেউ কেউ বৈদ্যূতিন ভাবাবেগে বিশিষ্ট, কেবল বরাবর আমিই অবশিষ্ট ।
২৭শে জানুয়ারি ২০১৭ ম্যারিল্যান্ড
Copyright @ anis ahmed