কেবলই ছায়া , কেবলই ছবি

কনে দেখা সোনালি আলোতে
শুধু বার বার দেখি সোনারঙে স্নাত
স্মিত এক পুতুল প্রতিমাকে
অবাক করা এক স্নিগ্ধতায়
মিশে যায় সে ঝরাপাতাদের দলে
অথচ এখনও তো ফুটে আছে,
অন্য কোথাও, অন্য কারও অলিন্দে।

অস্ফুট উচ্চারণে শুনি নুপুরের নিক্কন
অবাক করা মুদ্রায় নিদ্রাভঙ্গ করো তুমি
সমুদ্রগভীর এ রাতে স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে
ঘুম ভাঙানিয়া গান গেয়ে যাও নিম্গ্ন মনে
চারুশিল্প এঁকে যাও চিত্তের চিত্রপটে
মূর্তমান হয়েও থেকে যাও বিমূর্ত বরাবর
স্পর্শ করার স্পর্ধা করলেই মিশে যাও বাষ্পে।

আবার হয়ত মূর্তমান হয়ে আসো
অনাবিল আনন্দে ভরে দাও শুন্য অলিন্দটুকু
পুষ্পিত সত্বা নিয়ে সুগন্ধ ছড়াও কারও বৈঠক খানায়
নিপুণ শিল্পির মতো তূলিতে রঙে সঙ্গম হয় সহজতর
ছায়াছবির এক নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে থাকি শুধু
কায়া কাঙ্খিত এ মন চাইনা ছায়া , ছবি ও নয়
শুধু এসো ললিত লাবণ্যে , চিত্তপটের অন্দরমহলে

তবু জানি, ললিত কলার লোভ দেখাও আকারে ইঙ্গিতে
খুঁজে বেড়াই আমি নৃত্যে তোমায় কখনওবা ওই সঙ্গীতে

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *