[ দীপাবলী উপলক্ষে লেখা]
অবাক করা এক ঘুটঘুটে অন্ধকারের অলিন্দে
রোজ হেঁটে চলি আমি ,
প্রাতঃভ্রমণ কিংবা সান্ধ্য কালের হাল্কা হাঁটা
সূর্য যখন অস্তগামি
তখনও ছিঁটে ফোঁটা আলোর সন্ধান করি প্রতিনিয়তিই জেনো ।
মাঝ আকাশের অধিপতি যখন মধ্যদিনের সুরুয
তখনও ঘোর অন্ধকার
পূর্ণিমার চাঁদ যখন স্নান করায় হ্যালোউইনের প্রবাদতূল্য প্রেতাত্মাকে
কুচকুচে আঁধার চারিধার ।
হায় আমি দুঃস্বপ্নকেই সোনালি স্বপ্ন ভেবে বেঘোরে ঘুমাই আপন মনে।
হ্যাঁ দুঃস্বপ্নরাইতো হেঁটে চলে গোপনে, চিলতে উঠোনের মাঝ দিয়ে
স্বপ্নের ময়ুর পেখম গোটায়
বোকার স্বর্গে বসবাস করি , ভরা ভাদরের ভ্রান্তিতেও ভাবি বসন্ত এলো বুঝি
প্রকৃতিই হয়ত ফুল ফোটায়
প্রত্যাশিত সেই পুষ্প বিকশিত হয় না আদৌ, বেঘোর স্বপ্নে বিশ্ব এখনও বিভ্রান্ত।
চাঁদ-সুরুজের আলোরা এখন ভোলাতে পারবে না মিথ্যে অভিবাদনে আমায়
জানি চতুর্দিকেই কালিমা মাখা
হিংসায় উন্মাদ হওয়া গ্রহে গৃহের বিগ্রহেরা বিচলিত হয়ে পড়ে বার বার
সর্বত্রই দেখি কিম্ভূত সব ভূত আঁকা।
প্রতীক্ষায় থাকি তাই সকাল সন্ধ্যা , কালে ও অকালে প্রদীপ্ত মুহুর্তরা যদি আসে।
দীপাবলির সান্ধ্য আয়োজনেই কেবল জ্বালাবে সহস্র দীপ তোমাদের ব্যালকোনিতেই ?
দেখো বিশ্ব জুড়ে তো অন্ধকারের ঘনঘটা !
বরঞ্চ মালঞ্চে নিয়ে এসো অগুণতি আলোর ফুল, ফুলঝুরির মতোই ঝরুক সর্বত্রই আজ
হৃদয়ে ফুটুক ফুল, পরাস্ত হোক চোরকাঁটা।
আলোর মিছিলে মিশে যাই সকলেই , ভেসে যাই এসো মানুষের মহাসমুদ্রের প্রদীপ্ত প্লাবনে।
২৯শে অক্টোবর ২০১৬; ম্যারিল্যান্ড
Copyright @ anis ahmed