হেমন্তের হলদে উঠোন

বসন্তের মতোই মাঝে মাঝে মনে হয় হেমন্তের এই হলদে পোশাক
সোনালী পাতার সঙ্গে মিশে যাও যখন আনন্দে আনমনে
অকস্মাৎ সন্ন্যাসীনির মন তোমার ছড়ায় ভালোবাসার বৈশ্বিক বীজ
হিমেল হলুদ হঠাৎ হয়ে যায় সোনা রঙের বিস্ময়কর এক ঊষ্ণতা।

তেমনি এক উষ্ণতায় উন্মুখ হয়ে ঝরা পাতার ঐ আঙিনায় হলদে হরিণী
কী অবাক করা ভঙ্গিমায় নির্বাক বসে থাকে, সম্রাজ্ঞী যেন সিংহাসনে
হয়ত মর্মর কোন শব্দ তুলে নির্মম কারও মনে চেয়ে থাকে হিরন্ময় দ্যূতি নিয়ে
সে জন কত দূরে , কাছেই বা কতটা জানেনা কখনই , চেষ্টাও নেই জানার ।

প্রকৃতির কাছে সমর্পিত সত্বা নিয়ে বসে থাকে কখনও নিশ্চিন্ত , ত্রস্ত কখনও বা
হলদে হরিণী। পাতা-ঝরার মৌসুমকে দিয়ে যায় নান্দনিক এক আনন্দ
কী দূর্ভাগ্য , রবি-ঠাকুর দেখেননি তাকে , জীবনান্দের জীবনাবসান হয়েছে আগেই
নইলে কাব্যে গল্পে উপন্যাসের বিন্যাসে থেকে যেত সে বৈশ্বিক আবডালে।

সৌভাগ্য কেবল আমারই কবিতার অন্তহীন অলিন্দে দাঁড়িয়ে অকষ্মাৎ দেখি এ কোন কন্যা
লাবণ্যরা সব মিশে একাকার হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে, হৃদয়ে বয়ে যায় বসন্তের বন্যা

২০শে অক্টোবর ২০১৬
Copyright @ anis ahmed

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *