অপূর্ণ এক চাঁদে পূর্ণিমার সন্ধান করি প্রতি সন্ধ্যায়
পূর্ণাঙ্গ পূর্ণিমাতো যাতায়ত করে স্বপ্নের আকাশ বেয়ে
এখনও কখনও মনে হয় ধরে ফেলি ঐ অধরা শশীকে
রশি বেয়েই উঠে যাই আধেক মেঘ-ছাওয়া আকাশে ।
বড়ই ঈর্ষায় আক্রান্ত হই আমেরিকার আর্মস্ট্রং এর প্রতি
বাহুযুগল কি ছিল তার এতই শক্তিশালি যে বীর দর্পে
হেঁটে গেল কুমারি চাঁদের অনস্পর্শিত শরীর বেয়ে
খানা-খন্দের খবর নিয়ে , তবেই ছুঁলো তার নরম বক্ষ।
তারপর প্রতারক পুরুষের মতোই প্রত্যাবর্তন তার পৃথিবীতেই
শোকাতুর চাঁদ তখন লজ্জায় লুকোয় মুখ আচ্ছন্ন মেঘের আড়ালে
কাঁদে অকষ্মাৎ আশ্বিনের নিঃস্বতা নিয়ে অকাল বর্ষণে বার কয়েক
অতঃপর চলে যায় অমাবস্যার অনাবশ্যক এক ক্ষণিক অন্তরালে।
অপূর্ণ পূর্ণিমাকে দেখি ঢেকে ফেলে নিজের অবয়ব কালো কেশের অন্তরালে
গোলাপি গাল বেয়ে পড়া বিন্দু কয়েক অশ্রু বাষ্পে মেলায় মূহুর্তেই
নইলে ঐ নোনা জলের স্বাদ নিতাম , জিভের ডগায় বার বার
তারপর নেমে আসতো ঠোঁট , চাঁদেরই ঠোঁটে কিংবা চাঁদসম চন্দ্রমল্লিকায়।
প্রতীক্ষার মাস পেরুলেই রজস্বলা রমনী পূর্ণিমা আসে গোপন অভিসারে
বাদ-বাকী সময়ে পূর্ণিমাও অপূর্ণ থাকে আধেক আলোয় , আধেক অন্ধকারে।
১৪ই সেপ্টেম্বর ২০১৬, ম্যারিল্যান্ড
Copyright@ anis ahmed