যাত্রী-জিজ্ঞাসা

গদ্যের গতানুগতিক পথ দিয়ে চলে যায়
দ্রুতগামি জীবনের যানবাহন
যাত্রী যে আমি নিজেও একনিষ্ঠ একজন
ভুলে যাই কল-কোলাহলে
সেলুলয়েডের পর্দার মতো বিচিত্র দৃশ্য দেখি চারপাশে
উপলব্ধিতে মিশে যাই সেই চরিত্র বৈচিত্রে।
কখনও নিরপেক্ষতার ভান করে নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়াই
পাছে বিপদে হই বিপন্ন
কখনও বা সাপেক্ষ অনুভূতিতে মিশে যাই ভিড়ে
ঘামের গন্ধে কিংবা কোলোনের সুবাসে একাকার ।

এখন বড্ড বেশি করে পদ্য –প্রত্যাশী হতে চায় এ মন
রেল গাড়ির ছান্দসিক রসিকতায়
সঙ্গী খুঁজি সুরে ও বাণীতে ধ্রুপদী কোন সঙ্গীতের মতো।
স্বরলিপির বিমূর্ততা বুঝিনা এখনও
কিন্তু অন্তর্গত সুরের সন্ধানে শুরু হয় দিন , সন্ধ্যা অবধি।
সহযাত্রীদের শুধাই সুর আর কতদূর, কোন ইস্টেশনে গো?
জানেনা তারাও ঠিক ঠিকানা
মাঝে মাঝে মোবাইলে পড়ে সুর হননের ডিজিটাল কাহিনী।
বেসুরো বিশ্বে অসুরের দাপটে
দিশাহীন নিরুদ্দেশ যাত্রীর অনাকাঙ্খিত অস্তিত্ব নিয়েই চলি।

কপর্দকহীন কষ্টে টিকেট চেকার দেখলেই লুকোই প্রক্ষালন কক্ষে
মন্তব্যহীন গন্তব্যে পৌঁছুবো কি, নাকি ঘুরবো কেবল পুরোনো এই অক্ষে।

২৭শে জুন ২০১৬, ম্যারিল্যান্ড
Copyright@ anis ahmed

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *