অরিন্দম ভেবেছিল
করোনার এ করাল গ্রাসে
কে বা কারে আর ভালোবাসে
সঙ্গনিরোধতো এখন সঙ্গী-নিরোধই বটে।
দেখা হয়েছিল
অকস্মাত্ প্রায় জনশুন্য এক ফুটপাথে
মুখোশে আবৃত চিরচেনা অরণির সাথে
চোখ দেখেই চিনেছিল আবৃত সেই অবয়বকে।
অতএব অকষ্মাত্
থমকে দাঁড়ানো পরিচিত সেই পথ-পাশে
যেন জানান দেয়া কে কারে কত ভালবাসে
তার পর ইতিহাসের পরিব্রাজক হয়ে যায় উভয়ই ।
সেই পথে হেঁটে চলা
অতঃপর একে একে ভালোবাসার উল্টালো পাতা
সমান্তরালে ভ’রে থাকা প্রত্যহই কবিতার খাতা
তার পর অনুজীবের অনুপ্রবেশে হঠাত্ রুদ্ধ হলো সব কথা ।
অপূর্ণ সে প্রেম
পূর্ণতা আর পেল কই, প্রাত্যহিক এ করুণা ক্রান্তিতে
পয়লা বৈশাখও আটকে গেল সেদিনের চৈত্র সংক্রান্তিতে
যেন ট্রাফিকের লাল সঙ্কেতে সংকটের শঙ্কা প্রত্যহই দিল দেখা।
অরণি-অরিন্দম
এখনও খোঁজে অনুজীববিহীন সবুজ সংকেত, অনর্গল ভালোবাসা
স্বপ্নের সীমানা ডিঙ্গিয়ে, মধ্যদিনে দেখে সে অন্য এক আলোর আশা ।
তেমনি সুদিনের প্রতীক্ষায় কাটে বেশি দিনের নিশীদিন চেয়ে থাকা।
অবশেষে জানে ওরা দুজনই, আসবে সেই রৌদ্রকরোজ্জ্বল দিন
উভয়ই তখন শুধবে জানে সুদে-আসলে ভালোবাসার সেই ঋণ ।
২রা মে ২০২১, ম্যারিল্যান্ড
Copyright@anisahmed