প্রান্তিক পাখি বলেই খুঁটে খাবার দায়
গৃহহীন ঘাড়ে বহন করে যারা
পক্ষী –বিশারদদের আলোচনার
আলো থেকে বঞ্চিত তারা প্রতিদিন
আবর্জনার আয়োজন থেকে বেরিয়ে
আসবে অকষ্মাৎ সেই সামর্থ কই তার
নেড়ি কুকুরের ধমক সয়ে যায় প্রায়শই
কখনও বা হয় আগ বাড়িয়েই আগ্রাসী ।
গত্যন্তর নেই কোন বলেই কাকের এত যন্ত্রনা
যত্নের অঙ্গীকার থেকে বঞ্চিত সর্বদা
বুলবুলির মতো বন্দী নয় সে সোনার খাঁচায়
যে আদরে আহ্লাদে ঐশ্বর্যের স্পর্শে হবে
গীতময় । তাই খাদ্যটুকুর জন্য খেকিয়ে
থাকা প্রতিদিন; অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা
অনবরত; বসন্তের পাখির কুজন- মুখর দিনেও
শীতার্ত থাকে, থাকে গ্রীষ্মের মধ্য দুপুরেও ।
বৃষ্টির পানি অনবরত চুয়ে পড়ে কালো পাখায়
পদ্ম পাতার জলের মতো করে টলমল ।
প্রতিবাদী যুবকের মতোই বোঝে অধিকার
আবর্জনার স্তুপে খুঁজে পায় সুখের সামগ্রি
নিয়ে যায় রোদে দেওয়া আচারের উপাদান
কাকতাড়ুয়া তখন কাগুজে বাঘ বইতো নয়।
৬ই এপ্রিল ২০১৪; মেরিল্যান্ড।
Copyright@ anis ahmed