অকারণেই শ্রাবণ মেঘ জমে যখন-তখন
চোখের গভীরে, দু এক ফোঁটা বর্ষণ
তারপর আবারও কষ্টের সম্ভার সাজানো।
স্বদেশ অন্বেষায় কাটে দিনক্ষণ
প্রবাসী এ প্রাণ প্রাচুর্যের প্রাচীর পেরিয়ে
চলে যেতে চায় সেই সবুজ উপত্যকায়
কেটেছিলো একদা দূরন্ত দিনগুলো যেখানে
ডিঙ্গায় ভাসানো স্বপ্নরা , ভিড়েছিলো তীরে
সেইখানে সেই যানজটের ভীড়েই খুঁজে নেবো
শৈশবের সেই চঞ্চল কাঠবেড়ালি মনটাকে।
জানি প্রিয় ও পরিচিত ফটকের দু পাশে
কামিনী গাছের ছায়া, কাজুবাদামের ফুল
কিছুই পাবো না আর, মায়ের মারের ভয়ে
খিল আঁটা ঘরে কাঁঠাল ভাঙ্গার সেই রোমাঞ্চ
এখন কাহিনী ও কবিতার দেহের উপাদান
কেবল, বাস্তবে অ্যাপার্টমেন্ট অপসংস্কৃতির
বাজারে হারালো কেয়ারি করা বাগান।
তবু্ও মনের গহীনে দিবানিশি তারই সন্ধান
যাকে হারাই বার বার। মাটির কাছাকাছি
যেতে চাই সহসা, পেতে চাই হারানো মাকে।
হয়ত জানি এ ও বেদনা বিলাস এক ধরণের,
কবিতার দেহকে পুষ্ট করার এ এক ছলনা।
প্রাপ্তি যে নেই, তাও বলি কেমন করে আজ
মা ও মাটিকে ভাবতে গিয়ে অকস্মাৎই দেখি
মেঘ ভেঙ্গে অঝোর এ বৃষ্টিপাত, মনের শুষ্ক ভূমিতে।
২৪ শে জুন ২০১৪, মেরিল্যান্ড