জীবনানন্দ থেকে নিরানন্দ অবধি
এই যে সকলেই ডুব দিয়ে থাকে
একজোড়া বিস্ময়কর ও বিষন্ন চোখের দিকে
জানিনে কী খোঁজ করে তারা মূর্তমান চোখে
আমারতো মনে হয় বিমূর্তই দৃষ্টিকে দিয়েছে
এক অপার স্বাধীনতা , ভাববার এবং ভাবাবার।
নইলে নীরবে নিশ্চুপে যখন শিশির ঝরে চোখ বেয়ে
বোঝেনা কেউই, দুঃখ না সুখ কোনটা পড়ে টুপটাপ
এবং চুপচাপ শিশির বিন্দুতে চোখের সিন্ধুতে ।
এতটাই বিমূর্ত তুমি এবং তোমার সব শ্রেষ্ঠ সম্পদগুলো
যে চুরি যাবে কখনও কোথাও সে শঙ্কাই নেই তোমার
শিল্পীরা কেবলই তোমাকে নিয়ে ডঙ্কা বাজায় যত্রতত্র।
ভাস্করেরা সব তস্কর হয়ে লুটে নিয়ে যায় দেহের বাঁকগুলো
প্রেমের দেবী ভেবে অর্ঘ্য দিয়ে চলে ভাবে ও ভাষায়
কোলাজ চিত্রে ভ’রে যায় ভালোবাসার সব চিত্রশালাগুলো
বোঝে না অবোধ শিশুরা , বুঝবে কেমন করে বলো
নির্বোধ তারা এতটাই যে পেয়েছি, পেয়েছি বলে উল্লসিত যারা
তারা দেখে কেবল কাঠামোটুকু, পায় না খুঁজে হৃদয়ের বাঁক।
পঞ্জিকার পাতায় তারা পায় কেবল ফাঁকিবাজ ফাগুন, হলদে বসন্ত
তোমার বিমূর্ত সত্বায় তখনও হিমের হাওয়া অথবা কষ্টের কাঠ জ্বলন্ত।
৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২০, ম্যারিল্যান্ড
Copyright@anisahmed.