আঙ্কিক হিসেবে ঘড়ির কাঁটা
ঘন্টা খানেক পেছালো বটে।
ঋতুর সঙ্গে গণিতের জানি
এ এক সাংবাৎসরিক প্রবঞ্চনা।
সূর্যের আলোকে ধরে রাখার
গাণিতিক প্রয়াস প্রতিনয়ত ।
অথচ কী ক্ষতি হতো ,
যদি পিছিয়ে যেতো ঘড়ি
আরও অযুত –শত ঘন্টা
ছুটির দুপুরে , বাড়ির পুকুরে
দেখতাম তোমার শান্ত সাঁতার।
জাম-জামরুলের বনে বাদাড়ে
ঘুরে বেড়াতাম , লুকোচুরির ছলে
স্পর্শ করতাম তোমার আনত চোখ
কিংবা কাঠবেড়ালি কোমল ভুরু।
ঘড়ির এই পিছিয়ে পড়া
এগিয়ে যাওয়ারই নামান্তর
এখন তো আঁধার নামবে
মধ্যদিনেই , দ্রুত কাউন্ট ডাউন
শুরু হবে ঘড়িতে , প্রতীক্ষা করবে
তুমি, অথচ আমাকে বলো
করতে উপেক্ষা কেবল।
৩রা নভেম্বর ২০১৩। মেরিল্যান্ড