হ্যালোউইনে হৈ-হুল্লোড়ের এই ছেলেমানুষী খেলা
ঘুটঘুটে ঘন অন্ধকারের বন্ধ দ্বারে
আঘাত হানে শিশুরা সব কিম্ভূত সাজে ভূত হয়ে
দেখায় ভয়, তারপর চকোলেট সংগ্রহের অভিযানে
আমরা দেখি এক-একটি নিষ্পাপ মুখের অম্লান হাসি,
বুঝে ফেলি দানবের দীনতা, শিশু মানবেরই বিজয়ে।
আহা এমনি ভাবে সত্যিকারের দানবেরা সব
সমর্পিত হতো যদি মানবতার অনুভবে
বরফ হৃদয় তাদের গলে যেত যদি মায়ার উষ্ণতায়
তবে , সত্যি বলছি আমি, বাস করতাম এক ভিন্ন বিশ্বে
মূখ্য হতো যেখানে ভয়কে জয় করার ব্রতটাই
সুরে ও সঙ্গীতে হারাতাম আমরা , দানবেরা বিগলিত মানব তখন।
হ্যালোউইনের উৎস ছিল একদা এক আলোর উৎসব
দীপাবলীর মতোই যেন, যখন ভূতেরা সব নিমিষেই পালাতো
আলোর আয়োজনে, সেলটিকদের সেই উৎসবে জয় হতো মানুষেরই।
কালিপুজোকে ছাপিয়ে যেমন দীপাবলী করে আলো অন্তরে বাইরেতে
একদা তেমনি হ্যালোউইনের হাঁউ মাঁউ খাঁউরা সব পালাতো মানবিক অর্চনায়।
হ্যালোউইন ছিল সন্ন্যাসীদের গরিষ্ঠতায় দৈত্যদের দৈন্য প্রকাশের দিন।
এখনও আমি ডরাই না আদৌ ভূতের মুখোশে আসা কোন মানবকে
ডরাই কেবল বার বার মানুষের রূপে আবির্ভূত শত শত দানবকে।
ম্যারিলান্ড , ৩০শে অক্টোবর , ২০১৯
Copyright@ anis ahmed