প্রকৃতি ও প্রেয়সীর মধ্যে সম্পর্কের কথা বলেন
জগতের তাবৎ কবিকুল ।
প্রেয়সীকে প্রায়শই নিয়ে যান প্রকৃতির ঠিক কাছাকাছি তারা ।
প্রতিমার মতোই অবস্থান করে প্রেয়সীও বটে
কখনো চিত্রা নদীর নদীর তীরে
কখনো বা ধানক্ষেতের সমুদ্র তরঙ্গে ।
কখনো প্রেয়সী হয় চন্দ্রমুখীর সৌন্দর্য
আবার কখনো মায়ের মতো স্নেহের ঔদার্য ।
এ তো গেল , কেবল কবিদের কথা
কিন্তু যারা অকবি , ঠিক আমার মতোই
তারা অকষ্মাৎ অঙ্ক কষে , মূহুর্তেই হয়ে যায় গণিতবিদ
তারপর প্রকৃতির সঙ্গে প্রেয়সীর সমীকরণ করে বলে , ‘ইউরেকা’।
সেখানে প্রকৃতি ও প্রেয়সীর মধ্যে থাকে না কোন বিরোধ
একে অপরের সমতূল্য , নিমজ্জিত পরস্পরের মধ্যে।
তাই প্রেয়সী হয়ে যায় নিজেই এক খরস্রেতা নদী
যার স্রোতগুলো বয়ে যায় তারই দেহের বাঁকে বাঁকে।
শরতের মেঘ হয়ে আসে প্রেয়সী , আমারই উঠোনে কখনও
কখনও রোদেলা বাতাসে দোল খায় ঠিক কাশের গুচ্ছের মতো
সবজি বাগানের প্রিয় পরিচিত পুঁই শাক হয়ে জড়িয়ে থাকে
কখনও কাদামাখা উঠোনে তুলে আনা কলমি শাকের গুচ্ছ হয়ে যায় ।
আবার দেখি প্রেয়সী আছে বরাবরের মতো পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে
সমুদ্রের ঢেউ হয়ে চলে যায় সে বিপদের লাল রেখা পেরিয়ে দূর , বহুদূর
আবার ভাঁটার টানে ফিরে আসে ঢেউ বালুকা বেলায়, হৃদয়ের কাছাকাছি
প্রকৃতির সাথে সখ্যতা এতটাই যে বুঝি না তফাত কোনটা কে কোথায় ।
প্রকৃতি= প্রেয়সী আমার এই সহজ সমীকরণ,পরিচয়ের প্রথম প্রহর থেকে
তাই অনুভব করি উভয়কে অভিন্ন , কিংবা একে অপরকে দেখে
ম্যারিলান্ড , ১০ই অক্টোবর , ২০১৯
Copyright@ anis ahmed