তাকে দেখেছি পাঁচিলের ধারে ফটকের প্রান্তজুড়ে
স্থির দাঁড়িয়ে থাকা সেই কামিনী গাছের মতোই
দুঃখরা সব লুকোতো গিয়ে উইয়ের ঢিবির তলায়।
বৃষ্টির কান্নায় দেখতাম হাসছে সে কুসুম কুসুম হাসি।
কচি পাতার ভিড়ে এমন করে আড়াল করতো
ক্ষয়ে যাওয়া যৌবন তার, যে পোশাকি অস্তিত্বেই খুশি আমি
ভাবিনি কখনো আগার জল পৌঁছুয়নি গোড়া অবধি
তাই ক্ষতে ক্ষতে ক্ষয়ে যাওয়া সত্বা নিয়েই টিকে থাকা কোন মতে।
অকষ্মাৎ এক দমকা হা্ওয়ায় চমকে দিয়ে দুলিয়েছে মাথা বার বার
থমকে গিয়ে আমিও দেখেছি বিস্ময়ে বিভোর এ বিপ্লব।
গোপনে গোপনে যে উইয়ের উপদ্রবে ক্ষীণ হচ্ছিল সত্বা তার
গোড়ার গলদ নিয়ে মিথ্যে টিকে থাকার অহংকার ছিল বটে
জানতো যদিও হৃদয়টা তখন আলগা মাটির মতোই ধ্বসে যায় বার বার
যতবার দাঁড়াতে চায় , ততবারই শেকড় নড়ে ওঠে শেকল ভাঙ্গার গানে ।
এবার অতএব নিজেকে উপড়ে নিয়ে এলো উস্কো উইবন থেকে
দুঃস্বপ্নকে সাহসী উচ্চারণে দূর দুর করে তাড়ালো অন্ধকার উঠোন থেকে।
অভিবাদন জানাই তাকে, এবং অতএব তার মতো সকল কামিনীকে
আলোর আভায় ভরালো উঠোন যারা, তাড়ালো ভয়ের কোন এক যামিনীকে।
২৭শে সেপ্টেম্বর ২০১৮, ম্যারিল্যান্ড।
Copyright @ Anis Ahmed