শরৎ-হেমন্তের সীমানায় দাঁড়িয়ে
বুঝিনা ঠিক কোন দিকে বাড়াবো হাত
শরতের দিকে ফিরে গেলে
জানি নিশ্চিত পাবো গ্রীস্মের উষ্ম আলিঙ্গন
হেমন্তের পানে দ্রুত এগিয়ে গেলে
জানি প্রবল গতিতে আসবে তূষার কুচি ।
শরতের দিকে পিছিয়ে গেলে
পঞ্জিকার পাতায় উল্টো পথে হবে পা -ফেলা
হেমন্তের পথে হাঁটাটাই হবে
ভবিষ্যৎকে মেনে নেয়া, হোক না শীতল যতই।
তাই সময়ের সোপান ধরে
এখন কী তর তর করে উঠে যাবো হেমন্তের হিমেল আবহে ?
এখন কী তবে সূর্যরা সবাই
দ্রুত পায়ে পালাবে বুঝি ওই ধূসর মেঘের আড়ালে ।
এখনতো অলিরা আসবে না আর
গলির মোড়ে শীষ দিয়ে কোন কৃষ্ণকলির কাছে ।
কল্পনার ফাণুস ওড়াবো যে আজ
সে রকম নির্মল মেঘমুক্ত আকাশ তো আর নেই ।
কামিনী ফুলের সুবাস শুঁকে
কাটাবো যে যামিনি , সে সময়তো এখন আর নেই ।
আসন্ন শীতেতো তূষার ও শুভ্রতাই শুধু
কেড়ে নেবে জানি জীবনে আছে যত রঙ্গধনু মাখা শত সহস্র সত্য
বিবর্ণ এক শ্বেত কাপড়ে বাঁধা পড়বে জানি
রাঙা হৃদয় আমার এবং নিত্য দিনের কবিতা লেখার নানান তত্ব।
২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮, ম্যারিল্যান্ড।
Copyright @ Anis Ahmed