উকুন

উকুনের ভয়ে ত্রস্ত থাকতো সে বরাবর পুলিশের মতোই চিরুণী তল্লাশি চালাতো পল্লবিত ঐ ঘন চুলেদের অলিতে গলিতে। গো-বেচারা উকুনেরা সব উৎখাত হতো কোঁকড়া কেশের কাঙ্খিত উষ্ণতা থেকে তারপর স্নান সেরে ছাদের খোলা হাওয়ায় ভ্রান্ত নিশ্চয়তায়[…]

নস্টালজিয়া

অকারণেই শ্রাবণ মেঘ জমে যখন-তখন চোখের গভীরে, দু এক ফোঁটা বর্ষণ তারপর আবারও কষ্টের সম্ভার সাজানো। স্বদেশ অন্বেষায় কাটে দিনক্ষণ প্রবাসী এ প্রাণ প্রাচুর্যের প্রাচীর পেরিয়ে চলে যেতে চায় সেই সবুজ উপত্যকায় কেটেছিলো একদা দূরন্ত[…]

অরিন্দমের অনুজীব অরণির জন্য

যন্ত্রনার যন্ত্ররা সব এতটাই সচল হবে কে জানতো বিশেষত এখন যখন গোটা বিশ্বই স্থবির ও শান্ত এখনতো নয় ঠোঁটে ঠোঁট রেখে পাখিয়ালী কুজন দোতারায় সুর বাঁধা নয় এখন, এখনতো সকলে সুজন। অরিন্দমের ভালোবাসা তবু মূষল[…]

ক্যাক্টাস

যতবার গেছি তোমার কাছাকাছি ততবারই ফিরিয়ে দিয়েছে ক্যাক্টাস মন তোমার আমিতো প্রত্যাশী ছিলাম সেই হলদে ফুলের বাসন্তী রূপ যার মুগ্ধতার বৃষ্টি ঝরায় গ্রীষ্মের এই দুপুরেও কাঁটা দেখে ক্ষান্ত হইনি কখনও আমি বেদবাক্যের মতই মেনে নিয়েছিলাম[…]

সাদা-কালো

বড়ই বিপন্ন আজ বিশ্বের তাবৎ কবিকুল ভাবেননি তাঁরা কখনই এমন মিথ্যের বেসাতি করছেন আজীবন তাঁরা কবিতার ট্রেনে বসে ভালবাসার গান গেয়েছেন অজস্র জীবনের প্ল্যাটফর্মে দেখেননি ঘৃণার থুথু যত্র তত্র ছড়ানো। সাপ ও সিঁড়ির লুডুতে কেবল[…]

নৈঃশব্দের শব্দ

শব্দের সঙ্গে নৈঃশব্দের এমন যে বিরল মিল স্ববিরোধী সংজ্ঞা সত্বেও যে এক অলিখিত সম্পৃক্তি দু জনের তাতেই বিস্মিত আনন্দে , মেঘ ফেটে নামে বৃষ্টির অঝোর ধারা । কিংবা কাঁটার আধিপত্যকে ছাপিয়ে ফোটে থোকায় থোকায় গোলাপ[…]

কোন এক মালিনার প্রতি ..*

ভালবাসি ভালবাসি বলে এমন যে গান গাই সকাল বিকেল ভালবাসি ভালবাসি বলে এমন যে কবিতা লিখি সকাল বিকেল সে কবিতায়তো ছন্দ পতন ঘটে প্রত্যেহ সে গানে সুরের হৃদয় কোথায়, কেবলই দেহ। প্রতিজ্ঞায় প্রতিদিন প্রতিশ্রুত থাকি[…]

অন্যরকম অনুজীব

জীবনের খেরো খাতা যতই ভরে প্রতিদিন ততই শূণ্য হয়ে যায় কবিতার খাতাগুলো ফ্লয়েডের মতো যখনই নামি পথে আমি বর্ণবাদের আশংকায় বিবর্ণ হয় বিশ্ব আমার। ভাইরাসের ভাইয়োলিনে বাজে করুণ সুর প্রতিদিন এবং জীবনের আয়তন হয়ে যায়[…]